1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
নিখোঁজের ১৫ দিন পর মরুভূমিতে মিলল বাংলাদেশি যুবকের লাশ - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন

নিখোঁজের ১৫ দিন পর মরুভূমিতে মিলল বাংলাদেশি যুবকের লাশ

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২১২ বার পঠিত
নিখোঁজের ১৫ দিন পর মরুভূমিতে মিলল সবুজের দেহ

অনলাইন ডেস্ক ,

সৌদি আরবে নিখোঁজের ১৫ দিন পর অবশেষে বালু ও পাথরের নিচে চাপা অবস্থায় বাংলাদেশি যুবক সবুজ মাতুব্বরের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। সোমবার (১৩ অক্টোবর) আল কাসিমের মরুভূমি থেকে এই ভয়াবহ দৃশ্যের সন্ধান মেলে।

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের আব্দুল জলিল মাতুব্বরের ছেলে সবুজ (২৪) প্রায় দুই বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে বাবার সঙ্গে শেষবার কথা বলেন সবুজ। মিলাদ পড়ানোর জন্য টাকা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ১ অক্টোবর সকাল থেকে ফোন বন্ধ পান বাবা। পরে জানা যায়, আগের দিনই বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি তিনি।

১৫ দিন পর আল কাসিমের নির্জন মরুভূমিতে বালু ও পাথরের নিচে লুকানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে সৌদি পুলিশ। পোশাক দেখে স্থানীয় প্রবাসীরা শনাক্ত করেন এটি সবুজেরই দেহ।

সবুজের চাচা খোকন মাতুব্বর জানান, নিখোঁজের পর থেকেই সবাই উদ্বিগ্ন ছিল। অবশেষে মরুভূমিতে তার মৃতদেহ মিলল। মরদেহের গায়ে ছিল সেই একই প্যান্ট-গেঞ্জি।

ছোট বোন রিয়া মনি কান্নায় ভেঙে বলেন, ভাইয়ের কাছে তিন লাখ টাকা ছিল আকামা করার জন্য। ওই টাকার লোভেই হয়তো তাকে হত্যা করেছে ঘনিষ্ঠ কেউ।

স্থানীয় মান্নান ফকির বলেন, পরিবারটি অতি দরিদ্র। ভ্যানচালক বাবা কষ্ট করে ঋণ নিয়ে ছেলেকে সৌদি পাঠিয়েছিলেন। এখন ছেলের মৃত্যুতে পরিবার একেবারে নিঃস্ব।

সবুজের বাবা জলিল মাতুব্বর বলেন, “শেষবার বলেছিল দশ হাজার টাকা পাঠাবে। এরপর আর কোনো খোঁজ পাইনি। এখন মরুভূমিতে আমার ছেলের লাশ।”

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচএম ইবনে মিজান জানান, “আমরা পরিবারকে সর্বাত্মক সহায়তা দেব। মরদেহ দেশে আনতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..